রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় সুযোগ, পুলিশের হাত ফসকে যুবলীগ নেতার পলায়ন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক কটিয়াদীতে শ্রেষ্ঠ ৪০ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান, মুন্সী আ. হেকিম কারিগরি কলেজের ৭ জন কিশোরগঞ্জে দৈনিক আমার সংবাদ ও ডেইলী পোস্টের উপজেলা প্রতিনিধি সম্মেলন ও আইডিকার্ড বিতরণ পাকুন্দিয়ায় ঘুষে বয়স বাড়িয়ে ভোটার হওয়ার চেষ্টা, বরখাস্ত দুই কর্মচারী, মামলা চারজনের বিরুদ্ধে কটিয়াদীতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ‘কালবেলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি বদরুল আলম গ্রেপ্তার: সমাজসেবক ও সাংবাদিককে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরায় জনমনে প্রশ্ন কিশোরগঞ্জে মুখে কা‌লো কাপড় বেঁধে আ. লীগের ঝটিকা মিছিল পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম কিশোরগঞ্জে আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৭

সিরাজগঞ্জে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ:
সিরাজগঞ্জে চলতি মৌসুমে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। গত মৌসুমে ভালো দাম পাওয়ায় এবং সরকারি প্রণোদনার ফলে এবার জেলায় সরিষা চাষের পরিমাণ বেড়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সিরাজগঞ্জে ৮৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১ হাজার ২৯০ হেক্টর বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আ. জা. মু. আহসান শহীদ সরকার জানান, “সরিষা ৩ মাস মেয়াদি ফসল। কম খরচ ও পরিশ্রমে চাষ করা যায় এবং এটি কৃষকের জন্য লাভজনক। এ বছর ৭১ হাজার কৃষককে বীজ ও সার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। গত মৌসুমে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকেরা এবার সরিষা চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরিষা চাষ শুধু কৃষকের জন্য নয়, মাটির উর্বরতা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ।”

রায়গঞ্জ উপজেলার শিমলা গ্রামের কৃষক বসু সেখ জানান, “গত বছর ২ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করে প্রতি বিঘায় ১২ মণ ফলন পেয়েছিলাম। এবার ৫ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। আশা করছি, এবারও ভালো ফলন এবং বাজারে ভালো দাম পাব।”

তাড়াশ উপজেলার কৃষক আক্তার হোসেন বলেন, “গত বছর ৪ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছিলাম। এবার ১৩ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করছি। কৃষি বিভাগের দেওয়া প্রণোদনার কারণে খরচ কম হয়েছে। আশা করছি, প্রতি বিঘায় ৬-৭ মণ ফলন পাব।”

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতন কান্দি গ্রামের কৃষক আজাহার আলী জানান, “দীর্ঘদিন সরিষা চাষ করিনি। কিন্তু গত বছরের ভালো দাম পেয়ে আবার চাষ শুরু করেছি। এবার ৩ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি।”

জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯০ হাজার হেক্টর। তবে অর্জিত হয়েছে ৮৬ হাজার ৪৬০ হেক্টর। এ মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষকেরা বলছেন, বাজারে সরিষার দাম ৩ হাজার টাকার বেশি থাকলে সরিষা চাষ আরও লাভজনক হয়ে উঠবে। পাশাপাশি সরিষা কাটার পর বোরো ধানের আবাদেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page