রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় সুযোগ, পুলিশের হাত ফসকে যুবলীগ নেতার পলায়ন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক কটিয়াদীতে শ্রেষ্ঠ ৪০ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান, মুন্সী আ. হেকিম কারিগরি কলেজের ৭ জন কিশোরগঞ্জে দৈনিক আমার সংবাদ ও ডেইলী পোস্টের উপজেলা প্রতিনিধি সম্মেলন ও আইডিকার্ড বিতরণ পাকুন্দিয়ায় ঘুষে বয়স বাড়িয়ে ভোটার হওয়ার চেষ্টা, বরখাস্ত দুই কর্মচারী, মামলা চারজনের বিরুদ্ধে কটিয়াদীতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ‘কালবেলা’ পত্রিকার প্রতিনিধি বদরুল আলম গ্রেপ্তার: সমাজসেবক ও সাংবাদিককে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরায় জনমনে প্রশ্ন কিশোরগঞ্জে মুখে কা‌লো কাপড় বেঁধে আ. লীগের ঝটিকা মিছিল পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম কিশোরগঞ্জে আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৭

রোজা ঘিরে চাহিদার বেশি পণ্য আমদানি, কমছে না দাম

রমজানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে চাহিদার চেয়ে বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়েছে। এখনো পণ্য আসছে। তারপরও কমছে না পণ্যের দাম। উলটো কিছু কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। অভিযোগ আছে, বাজারে দাম বাড়ানোর কৌশল হিসাবে আমদানিকারকরা বন্দরে পণ্য খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদামে রেখেছেন। তাই পণ্য আমদানি বেশি হলেও রমজানে দাম বাড়ার শঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

রমজানে ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু, ডাল, ছোলা, খেজুরসহ বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। রমজান ঘিরে দেশের মানুষ ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ে শঙ্কিত থাকে। তবে এবার বাজারে কোনো পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানা গেছে। আমদানিকারকরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এখনো পণ্য আমদানি করা হচ্ছে। রাত-দিনজুড়ে চলছে পণ্য খালাসের কাজ। পণ্যবাহী শতাধিক জাহাজ খালাসের অপেক্ষায় এখনো বন্দরে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আরও নিত্যপণ্য আমদানি হবে। ফলে সরবরাহ বাড়বে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে পণ্য আমদানি হয়েছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ টন; যা আগের অর্থবছরে ছিল ৬ কোটি ৫৮ লাখ টন।

জানুয়ারিতে পাম ও সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টন। চিনি আমদানি হয় ১ লাখ ৪ হাজার টন। পেঁয়াজ আমদানি হয় ৮২ হাজার টন। ডাল আমদানি হয় ১ লাখ ৯৫ হাজার টন। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছোলা আমদানি হয়েছে ২৮ হাজার ৩৩৪ টন, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ হাজার ৬৭৬ টন। খেজুর আমদানি হয়েছে ৪ হাজার ৯৭৮ টন। এভাবে রমজানের প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি হওয়ায় বাজারে সংকট থাকবে না বলে আমদানিকারকরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, আমদানি করা কয়েক হাজার টন পণ্য নিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সাগরে ভাসছে দুইশর বেশি লাইটার জাহাজ। তবে দাম বাড়ানোর কৌশল হিসাবে আমদানিকারকরা খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদাম বানিয়ে পণ্যগুলো রেখেছেন। সময়মতো পণ্য খালাস না করায় চট্টগ্রামে লাইটার জাহাজের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।

খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক কামরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, রমজান মাসে বিভিন্ন পণ্যের অতিরিক্ত চাহিদা থাকে। এবার এসব পণ্যের চাহিদার বেশি আমদানি করা হয়েছে। চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত আরও আমদানি করা হবে। রজমানে কোনো পণ্যের সংকট হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page